আল্লাহর সাথে কথা বলে জ্ঞান ও দিকনির্দেশনা পাওয়ার পদ্ধতি

40.00৳ 

আল্লাহর সাথে কথা বলে জ্ঞান ও দিকনির্দেশনা পাওয়ার পদ্ধতি

মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন মানবজাতির আদি পিতামাতা/আদম ও হাওয়া (আ.)—কে সৃষ্টির পর নাজ—নিয়ামতে পরিপূর্ণ জান্নাতে বসবাসের নির্দেশ দেন। এবং নিষিদ্ধ গাছের নিকটবতীর্ হতে নিষেধ করেন। কিন্তু ইবলিসের তথ্যসন্ত্রাসে প্রতারিত হয়ে আদম ও হাওয়া (আ.) আল্লাহর জানিয়ে দেওয়া নিষিদ্ধ গাছের ফল খেয়ে ফেলেন। অতঃপর তাঁরা উভয়ে নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে সাথে সাথে তাওবা করেন। আল্লাহ তা‘য়ালা তাঁদের সে তাওবা কবুল করার পর জানিয়ে দেন যেÑ তাঁদেরকে কিছুকালের জন্য দুনিয়ায় গিয়ে জীবনযাপন করতে হবে এবং ইবলিসও সাথে থাকবে। মহান আল্লাহর এ সিদ্ধান্তে মানব জাতির আদি পিতা—মাতা সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে মহা দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। আল্লাহ তা‘য়ালা জানিয়ে দেন, যুগে যুগে তাঁর কাছ হতে জীবন পরিচালনার তথ্য ধারণকারী কিতাব পৃথিবীতে যাবে। যারা সে কিতাব অনুসরণ করে চলবে তাদের কোনো ভয় ও চিন্তা থাকবে না (সুরা বাকারা/২ : ৩৮)। অন্যদিকে মহান আল্লাহ তাঁর কিতাব বাস্তবায়ন করে দুনিয়ার মানুষকে দেখিয়ে দেওয়ার জন্য নবী—রসূল পাঠান। আর রসূলগণের কাছে ওহী হিসেবে কিতাব নিয়ে এসেছেন ফেরেশতা জিব্রাইল (আ.)।

মুসলিম ঘরে জন্মগ্রহণ করা অনেক মানুষের নানাবিধ কারণে আল্লাহর কিতাবের গ্রহণযোগ্য পরিমাণ জ্ঞান থাকে না। যাদের জ্ঞান থাকে তাদের পক্ষেও জীবনের প্রতিটি মুহূর্তের সমস্যার সমাধান তাৎক্ষণিকভাবে কুরআন ও সুন্নাহর তথ্যের ভিত্তিতে করা সম্ভব হয় না। অন্যদিকে অমুসলিম ঘরে জন্মগ্রহণ করা অধিকাংশ মানুষের আল্লাহর কিতাবের গ্রহণযোগ্য পরিমাণ জ্ঞানার্জন করা সম্ভব হয় না। কিন্তু ইবলিস শয়তান তথ্যসন্ত্রাস/ধেঁাকাবাজীর মাধ্যমে বিপথে নেওয়ার জন্য ২৪ ঘণ্টা মানুষের পেছনে লেগে আছে। তাই, প্রশ্ন আসা স্বাভাবিকÑ কিতাব ও নবী—রসূল পাঠানো ছাড়া সাধারণ মানুষের সাথে মহান আল্লাহ কি অন্য কোনো যোগাযোগের পথ খোলা রাখেননি? যুক্তি (খড়মরপ) বলে সরাসরি মহান আল্লাহর কাছ হতে সাধারণ মানুষের জ্ঞান ও দিকনির্দেশনা পাওয়ার কোনো ব্যবস্থা থাকার কথা। আর কুরআন ও সুন্নায় তা পরিষ্কারভাবে উল্লিখিত আছে। নানা কারণে এ বিষয়টি মানব সভ্যতার কাছে স্পষ্টভাবে আসেনি। বিষয়টি প্রমাণিত তথ্যের ভিত্তিতে পুস্তিকাটিতে তুলে ধরা হয়েছে। আশাকরি মানব সভ্যতার জন্য পুস্তিকাটি ব্যাপক কল্যাণকর হবে।

SKU: QRF-40 Category:

আস্‌সালামু আলাইকুম ওয়া রাহ্‌মাতুল্লাহ।
আমি একজন বিশেষজ্ঞ সার্জন। আপনাদের মনে প্রশ্ন জাগা স্বাভাবিক যে, ডাক্তারি বিষয় বাদ দিয়ে একজন ডাক্তার কেন এ বিষয়ে কলম ধরল? তাই এ বিষয়ে কেন কলম ধরেছি, সেটা প্রথমে আপনাদের জানানো দরকার। ছোটবেলা থেকেই ইসলামের প্রতি আমার গভীর আগ্রহ ছিল। তাই দেশে-বিদেশে যেখানেই গিয়েছি, ইসলাম সম্বন্ধে সে দেশের মুসলিম ও অমুসলিমদের ধারণা গভীরভাবে উপলব্ধি করার চেষ্টা করেছি ।বিলাত থেকে ফিরে এসে আমার মনে হল, জীবিকা অর্জনের জন্য বড় বড় বই পড়ে MBBS ও FRCS ডিগ্রী করেছি, এখন যদি পবিত্র কুরআন তাফসীরসহ বুঝে না পড়ে আল্লাহর কাছে চলে যাই, আর আল্লাহ যদি জিজ্ঞাসা করেন, ইংরেজি ভাষায় বড় বড় বই পড়ে বড় ডাক্তার হয়েছিলে কিন্তু তোমার জীবন পরিচালনার পদ্ধতি জানিয়ে আরবীতে আমি যে কিতাবটি (কুরআন মজীদ) পাঠিয়েছিলাম, সেটি কি তরজমাসহ বুঝে পড়েছিলে? তখন এ প্রশ্নের আমি কী জবাব দেব? এ উপলব্ধিটি আসার পর আমি কুরআন মজীদ তাফসীরসহ বুঝে পড়তে আরম্ভ করি। শিক্ষা জীবনের শুরুতে মাদ্রাসায় পড়ার কারণে আগে থেকে আরবী পড়তে ও লিখতে পারতাম। এরপর ইরাকে ৪ বছর রোগী ও সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলতে বলতে আরবী বলা ও বুঝার অভাবটা অনেকাংশে দূর হয়ে যায়।

কুরআন রিসার্চ ফাউন্ডেশন (QRF) একটি গবেষণা, শিক্ষা, সংস্কার, মানবকল্যাণ, ইসলামের প্রচার প্রসারমূলক কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে গঠিত অরাজনৈতিক ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান- যা মানবতার কল্যাণে নিবেদিত।

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “আল্লাহর সাথে কথা বলে জ্ঞান ও দিকনির্দেশনা পাওয়ার পদ্ধতি”

Your email address will not be published. Required fields are marked *